ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ৩১
পিঙ্কি- না মামী এইত শুনলাম না ভালোই হয়েছে দাদা চাকরি পেয়েছে।
মা- তুই এখন কি করছিস মা।
পিঙ্কি- কি আর বিএ টা দিতে পারলাম না এই লক ডাউনের জন্য।
মা- বেশ বড় হয়ে গেছিস মা এবার তোর বিয়ে দিতে হবে।
পিসি- বউদি কি বলব সেই চিন্তায় ঘুম হয় না। কি করে কি করব।
মা- অত ভাবিসনা তো হবেই একটা ব্যবস্থা। আমাদের মেয়ে তো দেখতে শুনতে ভাল আর ফিগার ভালো, জামাই পাওয়া যাবে। তোর মতন হয়েছে একদম।
পিসি- তা যা বলেছ বউদি আমাদের মা মেয়ের একই ব্লাউজ লাগে বুঝলে। ও তো আমার শাড়ী পরে।
মা- ভালোই এমন মেয়ে অনেক ছেলেতেই চায় শুধু খুজতে হবে।
পিসি- দ্যাখ বউদি ছেলে খুজে বিয়ে দিয়ে দাও।
মা- আচ্ছা দেখা যাবে এবার বল কি খাবি আজকে থাকবি তো।
পিসি- হ্যা সে ভেবেই এসেছি।
মা- এই বাবু যা তো বাজার করে নিয়ে আয়।
আমি- চল পিঙ্কি বলে দুজনে বাজারে গেলাম। মাংস নিলাম দই মিস্টি নিলাম।
পিঙ্কি- এত লাগবে কিসে দাদা।
আমি- শোন একদম চুপ কতদিন পরে এলি আর কি খাবি বল।
পিঙ্কি- না দাদা আর কিছু লাগবে না এবার চল।
আমি- তোর কি লাগবে আমাকে বল।
পিঙ্কি- না দাদা আমার কিছু লাগবে না।
আমি- চল না বোন একটা কুর্তি কিনে দেই তোকে।
পিঙ্কি- না দাদা দরকার নেই।
আমি- চল তো বলে নিয়ে গেলাম দোকানে। একটা ভয়েলের কুর্তি অ লেজ্ঞিন্স কিনে দিলাম।
পিঙ্কি- দাদা অনেক দাম তো কেন নিলি।
আমি- পাগ্লি তুই আমার বোন তোকে একটা আমি দিতে পারিনা আর কি কিছু লাগবে।
পিঙ্কি- না দাদা আর কিছু না।
আমি- কানের কাছে মুখ নিয়ে ব্রা লাগবেনা।
পিঙ্কি- কি বলিস দাদা না না লাগবে না আছে।