ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ৩২
আমি-= বোকা নে একটা বলে দোকানদারকে দিতে বললাম।
দোকানদার- সাইজ কত দিদিভাই।
পিঙ্কি- লাগবেনা দাদা।
আমি- বল না কত।
পিঙ্কি- ৩৬ লাগে।
আমি- পাগলি এত লজ্জা কিসের, আমি তো মাকেও কিনে দেই। সেদিন মায়ের জন্য নিয়ে গেছি।
পিঙ্কি- মুস্কি হেঁসে ঠিক আছে বলে পছন্দ করল।
আমি- দাদা আরেকটা দিন তো আরও ভাল।
পিঙ্কি- না দাদা আর লাগবে না।
আমি- দেখে পছন্দ করে ডিজাইন করা একটা কিনে দিলাম। সাথে দুটো প্যন্টিও কিনে দিলাম। পিসির জন্য শাড়ি ছায়া ও ব্লাউজ নিলাম। খাবার দোকান খোলা নেই তাই কিছুই খাওয়া হল না। বাড়ি ফিরছিলাম হেঁটে হেঁটে।
পিঙ্কি- দাদা অনেক খরচা হয়ে গেল তোর।
আমি- তোমার এ নিয়ে অত ভাবতে হবেনা এবার বল কেউ আছে
পিঙ্কি- কে কেউ আছে।
আমি- প্রেম টেম করছিস নাকি।
পিঙ্কি- না দাদা তেমন কেউ নেই একা
আমি- সেমন কেউ আছে নাকি, তেমন না থাকলে।
পিঙ্কি- কি যে বলিস দাদা, আমি ছেলেদের থেকে সরে থাকি।
আমি- বিয়ের কথা বললে আবার বল্বিনাত আমার আছে।
পিঙ্কি- দূর এখনকার ছেলেদের আমার পছন্দ না।
আমি- তোর যা ফিগার হয়েছে ছেলেরা তোকে বিরক্ত করে না।
পিঙ্কি- করে পাত্তা দেই না হ্যংলা সব এক একটা, সবাই শুধু গায়ের দিকে তাকায় আর কি।
আমি- তাকাবেনা যা হয়েছে তোর, ওদের কি দোষ।
পিঙ্কি- দাদা তুইও ওদের মতন বলছিস।
আমি- কি কিছু ভুল বলেছি যা সত্যি তাই বললাম। একদম পিসির মতন হয়েছিস।
পিঙ্কি- মা দিদার মতন, আর আমি মায়ের মতন আর কি।
আমি- হু ঠাকুমা ছিল একখান মাল বটে। তিন পিস বানিয়েছিল, বাবা। আর দুই পিসি সবই এক রকম।
পিঙ্কি- আর মামী কেমন শুনি, উনি তো ওনাদের ও ছারিয়ে গেছে।
আমি- তা যা বলেছিস মা ও ওই একই ধাঁচের
পিঙ্কি- মামী তো সবার থেকে বেশী আছেন।
আমি- আমার ছোট বেলায় মা কিন্তু এমন ছিল না এখন যা হয়েছে কি বলিস।
পিঙ্কি- তা বটে তোর চাকরি পাওয়ার পরে মামী আরও বেশী ফুলেছে খেয়াল রাখিস দাদা মামীর আবার থাইরয়েড না হয়।
আমি- আরে না না কাজ বারলে মা এমনিতেই কমে যাবে।
পিঙ্কি- তবুও যার ছেলে চাকরি করে তার মা এমনিও হয়।
আমি- বাদ দে সত্যি করে বল কারো সাথে প্রেম করিস না তো।
পিঙ্কি- দাদা বললাম না কেউ নেই।
আমি- তুই বোন না হলে তোর সাথে প্রেম করলাম।
পিঙ্কি- হেঁসে বলল দাদা তোর মুখে কি কিছু আটকায় না।
আমি- কেন রে যা সত্যি তাই বললাম
পিঙ্কি- দূর ভাইবনে প্রেম ত্রেম হয় নাকি।
আমি- না বললাম আর কি
পিঙ্কি- হেঁসে চল বাড়ি চল আর বকতে হবে না।
আমি- সত্যি বলছি রে
পিঙ্কি- মারব একটা চর, আমি আসলাম বলে কই বোনের তো একদম খোঁজ নাওনি।
আমি- নারে খুব চাপে ছিলাম, অফিস, জমিজমা, তারপর মায়ের কষ্ট হয় একা পারেনা বাবা বাড়ি থাকেনা কি করব বল সব দিক দেখতে হয় তো।
পিঙ্কি- হ্যা বুঝি দাদা, মামীর ভারী শরীর কি এমন কাজ পারে তকেই দেখতে হয়।
আমি- না রে সত্যি বলছি তুই ভালো মেয়ে তোর মতন একটা বউ যেন আমার হয়।
পিঙ্কি- ঠিক আছে আমি খুজে দেব তোর বউ।
আমি- সত্যি তো, তবে আমি তোর বড় খুজে দেব।
পিঙ্কি- পাক্কা তো।
আমি- হুম পাক্কা না পেলে আমি আছি
পিঙ্কি- আমাকে একটা কিল দিয়ে আবার দুষ্টমী হচ্ছে।
আমারা ভাইবোন হাসতে হাঁসতে বাড়ি ঢুকলাম।মা ও পিসি কি রে কি হয়েছে এত হাসছিস কেন।