ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ৩৫
পিঙ্কি- না তুই আগেও বলেছিস এমন কথা, আমার কি দোষ বল এমনিতেই হয়ে গেছে।
আমি- হ্যা রে হেরিডিটি এটা। তবে আমার ভগ্নীপতি সুখি হবে। তোর মতন বউ পেলে।
পিঙ্কি- উঃ দাদা বার বার তুই আমাকে খোঁচা দিচ্ছিস।
আমি- কি করব বল তুই যা তাই বললাম।
পিঙ্কি- হুম তাই বার বার বলতে হবে
আমি- আমি বললেই কি খসে যাবে তোর বলত। না ছোট হয়ে যাবে।
পিঙ্কি- আমাকে একটা থাপড় মেরে না তোর সাথে পাড়া যাবেনা দেখছি। খুব পেকে গেছিস।
আমি- দূর পাগলি কি আর পাকলাম। তোর সাথে একটু খলামেলা কথা বলছি।
পিঙ্কি- এই তোর কেমন মেয়ে পছন্দ বল আমি খুজব।
আমি- তোর মতন হতে হবে বুঝলি, পারবি খুঝতে।
পিঙ্কি- দাদা এবার সত্যি বল কেমন চাষ।
আমি- হ্যা বলছি আমার বোন পিঙ্কির মতন দেখতে হবে আর পড়াশুনা ও ওর মতন জানতে হবে।
পিঙ্কি- এই এই শয়তান বলে আমার গায়ে লাফ দিয়ে উঠে আমার চুলের মুঠি ধরে বলল এত ইয়ার্কি হচ্ছে কেন।
আমি- উঃ পিঠে এমন ভাবে ঠেকিয়ে দিয়েছিস এই নাম নাম। উঃ চুলে লাগছে তো।
পিসি ডাক দিল এই কি হচ্ছে তোদের এইদিকে আয় চা করেছি।
আমি- হ্যা আসছি বলে বোনকে বললাম চল চা খেয়ে নেই।
পিঙ্কি- চল তারপর তোর হবে।
আমরা দুজনে রান্না ঘরের কাছে গেলাম পিসি আমাদের চা দিল আর বলল তোরা দুটোতে ঝগড়া করছিলি নাকি।
পিঙ্কি- আরে না না দাদার বিয়ে দিতে হবে তো তাই কেমন মেয়ে চাই সেটাই জিজ্ঞেস করছিলাম আর দাদা আমাকে উল্টো জিজ্ঞেস করছিল, তাই আমি ওর চুল ধরেছিলাম।
পিসি- শুনেছ বউদি
মা- হেঁসে ওদের ভাইবোনের ব্যাপারে আমাদের নাক না গলানোই ভালো ওদের মতন ওদের থাকতে দাও। কতদিন পড় ভাইবোনে এক জায়গায় হয়েছে করুক না একটু খুনসুটি।
পিঙ্কি- মামী দাদার জন্য একটা টুকটুকে ছোট্ট বউ আনব।
আমি- না না কেন ছোট্ট বউ আনব তাতে বংশ ছোট হবে মানে বাচ্চা কাচ্চা সাইজে ছোট হবে, আনতে হবে বড় সর লম্বা চওড়া দেখে, বলে হেঁসে দিলাম।
পিসি- ঠিক বলেছিস বাবা, মা বড় না হলে বাচ্চা কাচ্চা ও বড় হয় না। আমার বাবার মতন কথা বলেছিস।
মা- দেখতে হবে না কার নাতি, একই রক্ত।