ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ৩৬
আমি- আমরা গেলাম পুকুর পারে।
পিঙ্কি- আচ্ছা মামী পুকুরের জলে নাম্লে নাকি খুব শান্তি পাওয়া যায় দাদা বলল। কি এমন শান্তি পাও তুমি অ দাদা।
মা- ভ্যাবা চ্যাগা খেয়ে কেন কে কি বলল তোকে।
পিঙ্কি- না দাদা বলল
মা- আরে না ওর কথা ওপারের জল বেশ ঠান্ডা সাঁতার কেটে ওপাড়ে গেলে শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়।
পিঙ্কি- না দাদা বলল তুমি অ দাদা নাকি ওপাড়ে গেলে খুব সুখ পাও।
মা- আরে আমি বলেছিলাম এখানে এলে খুব সুখ লাগে তাই।
পিঙ্কি- আচ্ছা তবে দাদা মিথ্যে বলেনি ভাবলাম আমাকে ঢপ মেরেছে।
মা- কি যে বলিস তুই। তোর দাদা আর মিথ্যে কথা ও পারে নাকি।
পিঙ্কি- হ্যা তোমার বাচ্চা ছেলে তো বলে হাঁসতে হাঁসতে বলল চল দাদা।
আমি- চল বলে দুজনে বের হলাম চা খেয়ে ও হাঁটতে হাটতে চলে এলাম পুকুরের দখিন পারে।
পিঙ্কি- দাদা সত্যি এখানে এসে এত ভালো লাগছে কি বলব। এই দাদা আমাদের বাড়ি যাবি।
আমি- যাব কদিন পরে এবারের ফসল নিজেকেই তুলতে হবে। তো, সময় হয়ে গেছে। গেলে দু একদিন থাকবো।
পিঙ্কি- খুব মজা হবে দাদা। কতদিন আমাদের বাড়ি জাস না।
আমি- হবে পাগলি হবে তোর বিয়ের সময় তো থাকতে হবে।
পিঙ্কি- কে আমাকে বিয়ে করবে
আমি- সে আছে কোথাও আমরা খুজে বের করব।
পিঙ্কি- নেই দাদা থাকলে দেখা দিত।
আমি- আরে না পেলে আমি আছি তো অত ভাবছিস কেন।
পিঙ্কি- দাদা এত ইয়ার্কি ভালো লাগেনা।
আমি- ইয়ার্কি কি করলাম আমি খুজে বের করব।
পিঙ্কি- না তোর কথায় কেমন যেন গন্ধ আছে।
আমি- থাকলে থাকবে তো কি হয়েছে আজ কাল এরকম কত হয়।
পিঙ্কি- কি এরকম হয় দাদা।
আমি- ঐযে ও পাড়ায় একজন আছে আপন পিসির মেয়ে বিয়ে করেছে জানিস না।
পিঙ্কি- হ্যা শুনেছি তাই বলে সবাই।
আমি- না না পাগল এমনি বললাম আর কি
পিঙ্কি- দাদা এমনি আর বলবি না আমার ভালো লাগেনা।
আমি- তবে কি সত্যি তোর ভালো লাগে
পিঙ্কি- আবার দাদা সেই শুরু করলি।