ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ৪৮
মা যেতে যেতে বলে গেল বাবু তুই তোর পিসির কাছে থাকিস একা রেখে কোথাও জাস না যেন পিসি যা চায় তাই দিস।
আমি- ঠিকা আছে মা পিসির যা লাগে দেব তুমি ভেব না। নিশ্চিন্তে যাও আমি আছি পিসির জন্য।
পিসি- তাড়াতাড়ি এস বৌদি, আমি কিন্তু রান্না করতে পারব না একা একা এমনি বাকি সব করছি।
আমি- ঠিক আছে পিসি মা এসেই রান্না করবে।
পিসি- তুই বস আমি সবজী রেডি করি। বলে বটি নিয়ে সবজী কাটতে বসল।
আমি- তোমার তো অনেক সময় লাগবে পিসি এত কিছু কাটতে।
পিসি- না না এইত হয়ে যাবে তুই বস।
আমি- সময় তো কম কাজ সেরে নিতে হবে।
পিসি- হ্যা পারবো ওরা তো এক ঘন্টার আগে আস্তে পারবে না যা তোর মা বলল।
আমি- হ্যা তা লাগবে।
পিসি- আমার তো ৫ মিনিটে হয়ে যাবে তারপর সময় আর সময়।
আমি- আচ্ছা শেষ কর তাড়াতাড়ি।
পিসি- এইত হয়ে গেছে প[রায় বলে কাজ করে যাচ্ছে।
আমি- তুমি পিসি কালকে কি দেখেছ শুনি।
পিসি- কি দেখেছি কিছুই দেখি নাই, কি আবার দেখব।
আমি- না মা বলল তুমি দেখেছ।
পিসি- কি দেখব আবার কিছুই দেখি নাই, কি দেখার কথা বলছিস খুলে বল।
আমি- না আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা তুমি চেপে যাচ্ছ নাকি।
পিসি- না বাবা সত্যি আমি কিছুই দেখি নাই।
আমি- রাতে কিছু দ্যাখ নাই একদম।
পিসি- না তো, কি বলছিস তুই কি বায়াপারে সেটা বল।
আমি- না মানে মা আমাকে মিথ্যে বলল।
পিসি- না কেন মিথ্যে বলবে তোর মা। কি ব্যাপার বলে বটি ছেড়ে উঠে পড়ল পিসি এই হয়ে গেছে বলে হাত ধুয়ে নিল।
আমি- এখ কি করবে পিসি
পিসি- আর কি কোন কাজ নেই এবার তোর মা আসলে হবে। এখানে কি করব চল ঘরে গিয়ে বসি।
আমি- চল বলে ঘরে এলাম।
পিসি- এবার বল কি দেখার কথা বলছিস।
আমি- না কিছু না এমনি দেখলাম তুমি কি জান।
পিসি- না সত্যি আমি কিছুই জানিনা, তবে আমার বৌদি ভাল জানিস তো, কোন খাবার করলে আমাকে না দিয়ে খেত না।
আমি- সে আমি জানি তোমাদের বৌদি ননদে খুব মিল। অন্তর আত্মা।
পিসি - হেঁসে সত্যি তাই বাবা বৌদি এত ভাল তোকে কি বলব, আমার এত ভাল চায় তোর পিসার জন্য আমারা দূরে সরে গিয়েছিলাম, নিজের কোন যোগ্যতা নেই, কিছুই পারেনা শুধু বগর বগর করে, আর আমার দাদা মানে তোর বাবাও কিছুটা একরকম, তবে তোর বাবা তোর মাকে খুব ভালবাসে।
আমি- মা তোমাকে কিছু বলেছে আজকের ব্যাপারে।
পিসি- না তেমন কিছু বলেনি, শুধু বলেছে তোর কাছে থাকতে তোকে সংঘ দিতে।
আমি- ও তাই এবার বল পিসি কি করব আমরা
পিসি- কি বলব তুই কি করবি তুই বল।
আমি- সত্যি মা একদম কিছু বলেনি তোমাকে।
পিসি- ওইজে বললাম না তোর সঙ্ঘ দিতে বলেছে।