ছেলের সুখেই মায়ের সুখ। - অধ্যায় ৪৯
আমি- কি করে সঙ্গ দেবে আমাকে, সে ব্যাপারে কিছুই বলেনি।
পিসি- না কি আবার বলবে আর কিছুই বলেনি তবে।
আমি- তবে কি বল।
পিসি- না তেমন কিছু না
আমি- পিসি বলনা হেয়ালী করনা।
পিসি- এই পিঙ্কির জন্য একটা ছেলে দ্যাখ ওর এখন বিয়ের দরকার, বড় হয়ে গেছে খুব।
আমি- হু সে আমি খেয়াল করেছি, তবে প্রেম টেম করছে না। যা বলল বুঝলাম।
পিসি- আমি জানি সেটাই ভয় কারো সাথে প্রেম করলে একটু বিয়ের দিকে ঝোক থাকত। তুই কিছু একটা কর ওর জন্য।
আমি- ঠিক আছে ভাবছি তো কালকে থেকেই।
পিসি- তুই ওকে কন্ট্রোল কর না হলে কি হবে।
আমি- করব করব ভেব না, পাত্র আমি জগার করব।
পিসি- আমার জীবন তো গেল ওর জীবন যেন নষ্ট না হয় একটা ভালো সামরথ ছেলে দিস।
আমি- তোমার জীবন গেল মানে পিসেমসাই কি তোমার প্রতি খেয়াল রাখেনা।
পিসি- কি যে বলি ওটা মানুষ নাকি কোন যোগ্যতা নেই। বললাম না কিছুটা তোর মায়ের আর আমার কপাল একরকম। তোর বাবা থেকেও নেই বাইরে থাকে, আর আমার কপাল কাছে থেকেও নেই।
আমি- পিসির হাত ধরে পিসি দুঃখ করনা যা আছেও তাই নিয়ে থাকতে হবে, আমাদের কি অবস্থা ছিল বল আমি চাকরি পেয়েছি বলে এখন একটু ভালো। না হলে আমাদের কি অবস্থা ভালো ছিল।
পিসি- সে আর্থিক অবস্থা সবার ভালো থাকেনা তবুও মানুষ বাঁচে, কিন্তু আমার তো কিছুই নেই।
আমি- পিসি একদম ভেবনা আমি আছি তো।
পিসি- তোর মা বলেছে তুই এর কিছু একটা করতে পারবি।
আমি- মা আর পিসি কি দুই দুজনেই এক তোমাদের আমি দেখবো না তো কে দেখবে।
পিসি- সে আমি জানি বাবা তুই পারবি আমার জন্য কিছু করতে।
আমি- পিসি মা ও বলেছে তোমার জন্য কিছু করতে।
পিসি- জানি বাবা তুই করবি তোর প্রতি আমার ভরসা আছে।
আমি- পিসি মা যা বলেছে আমি করব এখন।
পিসি- কি বলেছে সেটা বল।
আমি- না তুমি বল করলে তোমার আপত্তি নেই তো।
পিসি- না কিসের আপত্তি তুই কিছু করলে আমি বাধা দেব নাকি।
আমি- মা কিন্তু পিঙ্কিকে নিয়ে গেছে তার জন্য।
পিসি- ও তাই বল। তো কি করবি এখন। ওরা গেছে অনেক সময় হয়ে গেল।
আমি- তুমি অভয় দিলে করতে পারি।
পিসি- কি করবি সে তো বলছিস না।
আমি- তোমার কষ্ট লাঘব হবে এতে।
পিসি- কি কষ্ট বাবা।
আমি- বাবা হয়ে আমার এই বয়স্ক মেয়েকে সুখি করতে চাই।
পিসি- আমার বাবা অনেক ভাবে তার মেয়ের জন্য।
আমি- মা তোমাকে সত্যি কিছুই বলেনি পিসি এবার তো বল।
পিসি- বলেছে তোর সাথে সঙ্গ দিতে এই পর্যন্ত।
আমি- “সঙ্গ না সঙ্গম” কি বলেছে।