ধর্ম ভিতু মা এবং পাপি ছেলে - অধ্যায় ৭
আপডেট………………………………………………………০৭
ভাইয়া খেতে আস……………আম্মু ডাকে……………
আসছি……নাজমুল এর ঘর থেকে উত্তর দেই নাজমুল …………।
আম্মু তাড়াতড়ি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়……………আমি আর তোমার ভাইয়া একটু হুজুর এর কাছে যাব ……।।
খেতে খেতে মেয়ে নুপুর কে তাগাদা দেই আম্মু নাজমা………………
বাড়ির বাইরে কথাও যেতে চায় না আম্মু নাজমা………কিন্তু কেরামত আলি মাওলানার কাছে যেতে কখনো না করেনা
নাজমুল দের বাড়িতে সবাই মাটিতে বসে খাই…………আম্মু নাজমা এবং নাজমুল মুখোমুখি বসে খাচ্ছে…
ঝুকে মাটিতে বসে খাওয়ার জন্য আচল টা একটু গেছে আম্মু নাজমার………………
ব্লাউজ এর মধ্যে ঢাকা জাম্বুরার মত মাই দুইটার দিকে ইঙ্গিত কোরে নাজমুল বোল্ল …………
আম্মু কি বোরোখা পরে জাবেন?............... ইঙ্গিত টা আম্মু নাজমা বুঝতে পারে…………
তাড়াতড়ি আচল ঠিক কোরতে কোরতে , “না রে বাবা বোরোখা পাব কোথাই,
তোর বাপ কি আর বোরোখা কিনে দিয়েছে আমাকে, আগের বোরোখা টা ছিড়ে যেতেই,
কতবার বল্লাম একটা বোরোখা কিনে দাউ……দিল না কিনে ……তার নাকি টাকাই থাকে না”……।
অনুযোগের সুরে বোল্ল আম্মু নাজমা………
“আমি কিনে দেব………।আজকে শাড়ি পোরেই চলেন”……………
আম্মু নাজমার অপাদ মোস্তক দেখতে দেখতে বোল্ল নাজমুল……………
খাওয়া দাওয়ার পাঠ চুকিয়ে নিয়ে নাজমুল তার নিজের ঘরে এসে লুংগি পাল্টিয়ে পেন্ট পোরে নিল……………
আম্মু নাজমা মেয়ে নুপুর কে ঘুম পাড়িয়ে রেখে…………………আয়নার সামনে দাড়িয়ে চোখে একটু কাজোল দিয়ে নিল ……………
আর শোরিরে একটু আতর দিয়ে নিল ……………
এই আতর আর কাজল ছাড়া কোনো প্রসাধনি ই ব্যাবহার করে না আম্মু নাজমা……………………………
আম্মু নাজমা দরজার সিকল টেনে তালা টা লাগিয়ে ঘুরতেই দেখলো………
নাজমুল্ ভ্যাবলার মতো হা কোরে তাকিয়ে রয়েছে ………
একেবারে অপ্সরির মত লাগছে আম্মু নাজমা কে ………………
৫ ফুট ৪.৫ ইঞ্চি হাইট আম্মু নাজমার ………তানপুরার মত পাছা এবং জাম্বুরার মত ৩৪ ডি কাপ স্তুন জুগোল কে ঢাকার ব্যার্থ চেস্টা কোরছে কমলা কালারের উপর নিল ছাপার শাড়ি টি……………
পাতলা শাড়িটির নিচ দিয়ে আম্মু নাজমার সু গভির নাভি টি যেন নাজমুল কে আহব্বান জানাচ্ছে
“আয় বাবা জিবোনে একবারের জন্য হলেও আমার এখানে তোর ওই কাম দন্ড টা ঢুকিয়ে পুরুশত্তের স্বাদ নে”
“কি হোলো চল ………বেশি দেরি হোলে আবার আসার সময় গাড়ি পাওয়া যাবে না”
‘আমি কিন্তু বাবা এত দুরের রাস্তা হেটে আসতে পারবো না”
আম্মু নাজমার কথাই কল্পনায় ছেদ পড়ল নাজমুল এর………………………
হ্যা চলেন……থত মত খেয়ে বোল্ল নাজমুল……………………
মোড়ের কাছে যেতেই একটা থ্রী হুইলার পেয়ে গেল্ নাজমুল রা ………
ডান পার্শে কর্নারে একটা ছেলে থাকাই মাঝখানে বসল নাজমুল এবং বাম পাশে কর্নারে বসতে দিল্ আম্মু নাজমাকে ………………………
কিছু দূর যেতেই শুরু হল ভাংগা রাস্তা…………
একবার নাজমুল আম্মু নাজমার গায়ের উপর পড়ে আবার আম্মু নাজমা নাজমুলের গায়ের উপোর পড়ে ……।
জেমনি ঝাকি তেমনি দুলুনি…………ব্যালেন্স রাক্ষার বাহানাই নাজমুল বার বার
আম্মু নাজমার থাই এর উপোর হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল……………
তাতেই আম্মু নাজমার প্রায় দুই মাসের অভুক্ত যোনি দ্বার ভিজে গেল……………………..
লজ্জাই আড়ষ্ট হয়ে বসে থাকার ব্যার্থ চেস্টা করল আম্মু নাজমা…গাড়িটি ডান পাশে হাল্কা দুলে উঠলো
আর তাতেই ব্যালেন্স রাখতে গিয়ে নাজমুল এর দুই পায়ের মাঝে ফুসতে থাকা ১০ ইঞ্চি কাম দন্ড টা
মুঠি কোরে ধোরে ফেল্ল আম্মু নাজমা…………….
কামনার নারি আম্মু নাজমার হাতের স্পর্শ পেয়ে কাম দন্ড টই আরও রেগে গেল
এবং লাফাতে থাকল ………………………
আম্মু নাজমা অনেক টা অনিচ্ছা শর্তে ই ছেড়ে দিল নাজমুলের কাম দন্ড টি …
কি মোটা জিনিসটা , এটা কে পেলে মনে হয় আমার সারা জিবনের জৌন চাহিদা একবারেই মিটে জেত
মনে মনে চিন্তা করলো আম্মু নাজমা ……………….
ছিঃ ছিঃ এইটা আমি কি ভাবছি …….ও যে আমার গর্ভজাত সন্তান …….
এক রাশ পাপ বধ আম্মু নাজমা কে ঘিরে ধোরলো……………………………
গাড়িটি বাজারে পৌছাতেই আম্মু নাজমা আগে আগে নেমে রাস্তার পাশে গিয়ে দাড়ালো……………………
ভাড়া মিটিয়ে নাজমুল আম্মু নাজমার কাছে গিয়ে দেখতে পেল্ আম্মু মাটির দিকে তাকিয়ে দাড়িয়ে আছে…………
নাজমুলের আর বুঝতে বাকি থাকলো না
কিসের জন্যে তার লজ্জাবতি আম্মু
আবার লজ্জাই লাল হোয়েছে………………………………………………………………………………………