ধর্ম ভিতু মা এবং পাপি ছেলে - অধ্যায় ৮
আপডেট…………………………………………………….০৮
নাজমুল্ এবং নাজমা এখন যেই বাজারে দাড়িয়ে আছে…সেইখান থেকে কেরামত আলি মাওলানার বাড়ি যেতে
বাজার এর মধ্যে দিয়ে আরো পাঁচ মিনিট হাটতে হবে ………..
আজকে এই বাজারে হাটের দিন........ যার কারনে অনেক লোকের সমাগম দেখতে পেল নাজমুল……….
বাজার টি ছোটো হওয়াই অতিরিক্ত মানুষের ভিড়ে প্রায় পা ফেলানোর জায়গা নেই এই রকোম একটা অবস্থা
“আম্মু চলুন আমি আপনাকে আগলে নিয়ে যাচ্ছি” নাজমুল আম্মু নাজমার কাধে একটা হাত রেখে বোল্ল……
একটু আগে গাড়িতে ঘটে জাওয়া ঘটনার লজ্জা এখনো কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে আম্মু নাজমা কে
যার কারোনে আর নাজমুল এর কথার কোনো উত্তর কোরলো না আম্মু নাজমা সোজা হাটা শুরু করলো
একটু সামনে এগোতেই আম্মু নাজমা ঠাই দাড়িয়ে পড়ল ………নাজমুল বুঝতে পারলো সামনে প্রচুর
ভিড়ের কারোনে আম্মু নাজমা আর সামনে যেতে পারছে না
নাজমুল একটা হাত আম্মু নাজমার পাছার দাবনার উপর রাখল………….আর এক হাত দিয়ে সামনের আগোতো ভিড়কে সোরিয়ে আম্মু নাজমা কে এগিয়ে নিয়ে যেতে লাগলো ………
ছিঃ ছেলে টা আজকাল এত অসভ্যতামো কোরছে কেন ?............ভরা বাজার এর মধ্যে কেউ এভাবে মায়ের পাছায় হাত দেই……………ভাবতেই আবার লজ্জাই কুকড়ে গেল আম্মু নাজমা
নাজমুলের উপর খুব রাগ হচ্ছিল আম্মু নাজমার……কিন্তু কিছু বলতে পারলো না……
কারোন আম্মু নাজমা খুব চাপা স্বভাবের ………… মোনের রাগ কখনো মুখে প্রকাশ কোরতে পারে না.
আরো কিছু দূর যেতেই একটা লোক সামনে থেকে না সোরে আম্মু নাজমার দিকে ভ্যাবলার মত তাকিয়ে আছে………….
যেটা দেখে নাজমুলের মেজাজ বিগড়ে গেল ……….. এক প্রকার শার্ট ধোরে টেনে সামনে থেকে সরালো নাজমুল……………..
৫ ফুট ৮ ইঞ্চি সুঠাম দেহের অধিকারি নাজমুলের শক্ত চোয়াল দেখে আর কিছু বোলতে পারলো না অগান্তুক
বিষয় টা আম্মু নাজমা কে বেশ প্রভাবিত করলো……..
একটু আগে জমা রাগের মেঘ যেন কেটে গেল আম্মু নাজমার মন থেকে……………….
ছেলে টা আমার একদম ঘর কুনো, সারাক্ষন শুধু মায়ের আচল এর নিচে থাকে,
মাকে চোখে চোখে রাখে , কোন বাজে আড্ডা নাই, কোনো বাজে স্বভাব নাই…
এত বড় হয়েছে এখনো একটা প্রেম করতে পারলো না….. সোনার টুকরা ছেলে আমার…….
মোনে মোনে ছেলের ছাপাই গাইলেন আম্মু নাজমা…………
“আম্মু আমরা হুজুরের বাড়ির সামনে চলে আসছি ,”
আম্মু নাজমার কল্পনায় ছেদ পোড়লো নাজমুলের কথাই…………
“আম্মু আপনার সব সমস্যার কথা খুলে বোলবেন হুজুর কে……….”
গেটের ভিতর ঢুকতে ঢুকতে আম্মু নাজমা কে বোল্ল নাজমুল……………
“সাহেব সমস্যা ক্যার আপ্নের না কি ভাবির”
হুজুরের দারোয়ান জিজ্ঞাসা করলো……..
ইশারাই আম্মু নাজমাকে দেখিয়ে দিয়ে…
ভারিক্কি চালে মা-ছেলের সম্পর্ক প্রকাশ করা এড়িএ গেল নাজমুল …………
লজ্জা ও পাপবোধে আম্মু নাজমার শরির রি ,রি করে জ্বলে উঠলো……………
ঘোমটা টা বড় করে টেনে দিয়ে সামনের দিকে হাটা দিল আম্মু নাজমা………
“আরে আরে ভাবি সাব কোই যান, এহন তো পুরুষ গো সিরিয়াল…. এই হানে বহেন,
আপনাগো সিরিয়াল আইলে আমি ডাইকা দিমু” ………….
হুজুরের দারোয়ান আম্মু নাজমার পথ আটকে দিয়ে বোল্ল……………….
নাজমুল এবং আম্মু নাজমা দুজোনে দুইটা চেয়ারে বসে সিরিয়াল এর জন্য অপেক্ষা কোরতে থাকলো………..
অবশেষে প্রায় এক ঘন্টা পরে আম্মু নাজমার সিরিয়াল আসলো……………………..
হুজুর= সমস্যা কার?
আম্মু= জ্বি বাবা আমার..
হুজুর=কি সমস্যা বোল মা?
আম্মু = (নিচু গলাই মাটির দিকে তাকিয়ে)” বাবা আমি আজকে দুপুরে একটা সাপ দেখে অনেক ভয় পেয়েছি এবং মাঝে মাঝে সপ্নে ও অনেক ভয় পায়”
হুজুর= (আম্মু নাজমার মাথাই কিছু সময় হাময় রেখে) হুম…………….. মা সমস্য টা তোমার আজকের না
অনেক আগের, আর ওই টা সাপ না ,সাপের রুপ ধরে আসছিল তোমাকে দেখতে……
ও একটা পুরুশ জ্বিন, যে তোমাকে ছোটো বেলা থেকেই ভালোবাসে, ও অনেক রাগি জ্বিন…………….
তোমার কোন কস্ট ও দেখতে পারে না ,তোমার কস্ট দেখলেই ও বিভিন্ন রুপ ধরে তোমাকে দেখতে আসে………………………..
আজকে ও তোমাকে ছেড়ে যেত না্, গেছে শুধু একটা কারনে, সেটা হলো………..
ও এবং তোমার মাঝে একটা ব্যাক্তি এসেছিল যে তোমাকে ওই জ্বিনের থেকে ও বেশি ভালোবাসে,
যে তোমাকে পাবার জন্য ব্যাকুল হোয়ে আছে।।
আম্মু নাজমার আর বুঝতে বাকি থাকলো না ব্যাক্তি টি আসলে কে………………………
কান মুখ দিয়ে গরোম ভাপ বেরোতে থাকলো আম্মু নাজমার………………………
ছি ছি না না এ হতে পারে না, ও যে আমার গর্ভজাত সন্তান ,ও কি কোরে আমাকে পাবার জন্যে ব্যাকুল হয়ে থাকতে পারে?
হে মালিক তুমি আমাকে এই পাপের হাত থেকে রক্ষা করো …………
কি মা কি ভাবছিস? এই মাদুলি আর এই পড়া পানি টা রাখ …
দেখবি মালিকের ইছাই সব ঠিক হয়ে যাবে……..
হুজুরের কথাই কল্পনায় ছেদ পড়লো আম্মু নাজমার
হুজুরকে সালাম কোরে , ঘোমটা টা টেনে দিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লো আম্মু নাজমা এবং ছেলে নাজমুল………………………………