মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১৫
মা- না তুই না থাকলে দোকানে বেচাকিনা হবে। কেয়া বা তোর বাবা দাম জানে।
আমি- জানে লেখা আছে সব মালের প্যাকেটে তোমাকে ভাবতে হবেনা।
মা- তবে চল আস্তে আস্তে বলে কি জেন বির বির করছিল।
আমি- মা কি বির বির করছ।
মা- না মানে না কিছু না।
আমি- না মনে হয় কিছু একটা ভাবছ।
মা- তোর বাবা মরে গেল বাবা আমাদের দেখবি তো এভাবে।
আমি- মা আবার এই কথা আমি তো শুধু তোমার আর কেয়ার কথা ভাবি অন্য কেউ তো আমার নেই শুধু তুমি আর কেয়া আমার জগত। তোমাকে আর কেয়াকে সুখি রাখতে পারলেই আমার হবে।
মা- আমি জানি তবুও ভয় হয় বাবা, তুই দেখিস আমরা তোর অবাধ্য হব না।
আমি- মা আমিও জানি আমি কিছু বললে তোমরা না করবে না তাই আমার কন চিন্তা নেই মা আর বোনকে নিয়ে থাকব এক সংসারে। প্রয়োজনে এখান থেকে চলে যাবো অন্য জায়গায় যেখানে কেউ আমাদের জানবেনা চিনবেনা সেই জায়গায়।
মা- আমার ও সেই ইচ্ছে তোর বাবার জন্য কতকথা আমাদের শুনতে হয়। মাতাল বলে।
আমি- ঠিক বলেছ মা। দেখি চাকরিটা হয় কিনা।
মা- হ্যা সেই চেষ্টা করবি বাবা।
আমি- হ্যা মা আমি তোমাকে আর কেয়াকে রানী করে রাখব তখন। কোন অভাব তোমাদের রাখব না।
মা- হ্যা অভাবে প্রায় ৫ বছর কেটে গেল আর কতদিন এভাবে থাকব আমরা মানুষ তো। কেয়া ছোট কিন্তু আমি তো বুঝি।
আমি- মা আমি সব চেষ্টা করছি তুমি বললেই আমি সব কষ্ট দূর করতে পারি আমাকে বল্বেনা। তো আমি কি করে করব।
মা- সব কি বলা যায় বাবা তোর বাবা তো অনেক কিছু বলে কিন্তু আমি তো পারিনা, তুই ছেরা ব্লাউজ দেখে কিনে দিলি কিন্তু অন্য সব কি হয়।
আমি- মা বলেছিনা আমাকে খুলে বলবে সে যা লাগুক যেমন কেয়াকে আমি প্যাড কিনে দিয়েছি তাতে কি হয়েছে ও লজ্জ্যা পাচ্ছিল আমি বলতে ওর লজ্জা ভেঙ্গে গেছে। আমি তো তোমার আর কেয়ার কষ্ট দেখতে পারবোনা। অত ভাব কেন ভালই কামাই হয়।
মা- কত খাটিস তুই আমাদের জন্য আগের থেকে রোগা হয়ে গেছিস।
আমি- মা তোমাদের করতে পারলে আমি ভাল থাকব।
মা- কি
আমি- না মানে তোমাদের জন্য কিছু করতে পারলে ভাল লাগে আমার।
মা- তাই বল এমনভাবে বললি ভয় পেয়ে গেছিলাম।
আমি- না মা এমন আর কি একটু ভুল বলে ফেলেছি তার জন্য এত ভয়।
মা- আমার বুকটা ধরফর করে উঠেছিল, ছেলে হয়ে এমন কথা।
আমি- মা এসে গেছি, কিন্তু তুমি বাবার কথা আমাকে বললে না বাবা কি করতে বলেছে।
মা- বলব সময় হলে বলব। এখনো সময় হয় নাই। চাকরির পরীক্ষা দে তারপর বলব।