মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১৪
বিকেলে দোকানে গেলাম তারপর আমার বোন কলেজ থেকে ফিরেছে। কিছুখন পরে মা বাবা বোন দোকানে এল। আমি বোন আর বাবাকে দোকানে বসতে বলে মাকে নিয়ে ষ্টেশন বাজারে গেলাম।বোনের জন্য একটা মোবাইল নিলাম। এর পর মায়ের জন্য ব্লাউজ ছায়া, প্যান্টি নিলাম।
মা- এত সব কেন কিনলি।
আমি- দারাও ভুল হয়ে গেছে আস বলে আবার দোকানে গেলাম এবং মাকে জজ্ঞেস করলাম সাইজ কত।
মা- কিসের
আমি- ব্রা নেব তাই।
মা- যা কি বলে ও লাগবে কেন?
আমি- কেন তুমি পড়লে দেখতে ভাল লাগবে।
মা- যা আমার লজ্জা করে।
আমি- ব্লাউজ আর ব্রা এক তো ৪২ তো।
মা- হু একই সাইজ।
আমি- আচ্ছা চল বলে দোকানে ঢুকে দুটো স্টাইল লিস্ট ব্রা কিনলাম।
দোকান থেকে বের হতে তোর বোনের জন্য নিবি না। আমি ওর সাইজ জানো ওর।
মা- ৩৬ সাইজের লাগে ওর।
আমি- চল বলে আবার দোকান থেকে ২ টো নিলাম। সাথে একটা কুর্তি আর লেজ্ঞিন্স নিলাম। মা আর আমি হেটে বাড়ির দিকে আসতে লাগলাম।
মা- এতসব কিনলি কেন।
আমি- মা বাবা দিতে পারেনা বলে আমি দিলে কি নেবে না।
মা- তা কি বলেছি। এখন আমাদের আয় কম তাই।
আমি- মা তোমাদের দিতে আমার কম পরবেনা। তমাদের চাহিদা আমি মেতাবে পারব।
মা- দেখব কেমন পার মা বোনের চাহিদা মেটাতে।
আমি- পারব মা পারব। তোমরা সাথে থাকলে পারব।
মা- আমারা তো সব সময় সাথেই থাকতে চাই, আর যাবো কোথায়, তুমি যেমন চাও আমরা তেমনই হব।
আমি- মা দেখা যাবে এই কথা যেন মনে থাকে, আমি বললে আবার না করবে না তো।
মা- না তুমি বলে দেখ তুমি যা বলবে আমি তাই শুনব কোন সময় না বলব না।
আমি- কিছু তো খেলাম না চলে এলাম।
মা- না আর বাজে খরচা করতে হবেনা।
আমি- তাই বললে হয় বোন বাবা বসে আছে সামান্য কিছু নিয়ে যাই সবাই মিলে খাবো।
মা- কি নিবি।
আমি- চাউমিন নিয়ে যাই।
মা- নাও তবে অল্প।
আমি- একটা রেস্টুরেন্টে গিয়ে দুই প্লেট চাউমিন পার্সেল নিলাম। এখনো যেতে ১৫ মিনিট লাগবে। মা টোটো করে যাবো।
মা- না হেটে চল গল্প করতে করতে যাই।
আমি- আচ্ছা চল, তবে মা কিনে দিলাম তুমি পরবে কিন্তু ঘরে রেখে দেবে না।
মা- পরে কোথায় যাবো, না পরতে পরতে এখন আর ইচ্ছে করবে।
আমি- পরবে একটু ফিট থাকলে দেখতে ভাল লাগবে।
মা- কার জন্য ফিট থাকবো, যার জন্য থাকব সে তো আর সে নেই।
আমি- মা কি যে বল আমি তোমার কেউ না।
মা- সে তো অবশ্যই, কিন্তু তুমি আমার ছেলে।
আমি- তাতে কি তোমাকে সুন্দর দেখতে আমার বুঝি ভাল লাগেনা। তোমার ছেরা ব্লাউজ আমার দেখতে ভাল লাগছে না।
মা- আচ্ছা আমি পরে থাকব তুমি দেখ।
আমি- মা রাগ করলে
মা- কে বাবা কই রাগ ক অর লা ম।
আমি- না এমনভাবে বললে তাই মনে হল। মা জীবন যৌবন ভাল থাকে চর্চার উপর।
মা- সে তো বুঝলাম কার জন্য এই জীবন যৌবন সুন্দর রাখব, ডাক্তার বলে আর বেশি হলে ১৫ দিন বেচে থাকবে।
আমি- মা আমার জন্য তুমি ভাল থাকবেনা।
মা- হ্যা তোমার বাবা আমাকে বার বার বলেছে ছেলের জন্য তোমাকে ভাল থাকতে হবে।
আমি- তবে বাবা যা বঝে তুমি সেটা বুঝতে চাইছ না।
মা- আমি চেষ্টা করি কিন্তু আমি তোমার মা আর কত কি করব বল।
আমি- তোমার যা ইচ্ছে করে তাই করবে, আমাকে বলবে মনের মধ্যে কিছু লুকিয়ে রাখবেনা, আর হ্যা বাবা যা বলে আমাকে বলবে সংকোচ করবেনা। আমি সব করব তোমার জন্য। বাবা যাতে দুঃখ পেয়ে না মরে।
মা- হুম বুঝেছি। এবার একটু পা চালিয়ে হাটি দেরি হয়ে যাচ্ছে।
আমি- কেন ভালই তো কথা হচ্ছে তুমি কি বিরক্ত হচ্ছ মা।