মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ১৮১
আমি- এবার তোমরা থামো কটা বাজে দেখেছ ঘুম তো হলনা অকারনে ঝগড়া করে লাভ নেই।
মা- ঝগড়া কোথায় করলাম আলোচনা করছি, কথা বললেই সমাধান বের হবে।
বাবা- তাইত আলোচনা করতে ক্ষতি কি, বলনা মনের কথা, আমি বলছি তুই বল তোর মা বলুক।
আমি- বাবা আমার একটা অভিজ্ঞতা হল কখনো বউ হাত ছাড়া করতে নেই।
মা- তার মানে কি বলতে চাইছিস তুই, আমাকে নিয়ে বলছিস তুই মনে হচ্ছে।
আমি- না না আমার মাকে নিয়ে কিছু বলছিনা, তবে বাবার বউ কিন্তু বাবার সাথ দিচ্ছেনা।
মা- কি বলতে চাইছিস তুই আমি বুঝতে পারছিনা।
আমি- আরে বাবাকে কচি জোগার করে না দিতে পারলে তোমার বেইয়ান্টা জোগার করে দাও একটু নতুনের স্বাদ পাক।
মা- ইস সখ কত বললেই হল, অন্য কিছু বল মেয়েটার সংসার নস্ত করতে চাস তোরা, আমার বেয়ান ওই রকম না।
আমি- বকনাতো মা, তোমার সমন্ধে সবাই ভাল বলবে কিন্তু তুমি তো কি করছ কে জানে।
মা- ওই অম্নি খোটা দিলি না আর তোদের সাথে আমি নেই।
আমি- মাকে জড়িয়ে ধরে মা তা না তোমাকে কষ্ট দিতে চাইনি কথার কথা বলেছে রাগ করেনা মা।
বাবা- এইত এক্টুতেই তুমি রেগে যাও, না এটা ভালনা বোঝার চেষ্টা কর।
মা- ঠিক আছে যার মনের যা ইচ্ছে সে খুলে বল গরিমসি করতে হবেনা।
আমি- না আর সময় নেই এবার দোকানে যেতে হবে। কত বেলা হয়েগেছে সে খেয়াল আছে বসে বসে ৩ ঘন্টা পার করে দিলাম।
মা- ঘড়ি দেখে তাইতো, যা তুই দোকানে যা, আমরা সন্ধে দিয়ে আসছি।
আমি- দোকানের দিকে রওয়ানা দিলাম। দোকান খুলে বসলাম। বেচা কিনা চলছে। এমন সময় মাওইমা আমাকে ফোন করেছে কি বাবা সেই যে বাড়ি গেলে আর ফোন করলেনা।
আমি- না না বাড়িও তো দেখতে হয়, কেমন আছ সোনা।
মাওইমা- এইত আছি, তুমি বউমার সাথে এলেনা। আসতে পারতে। ওর আবার পরীক্ষা শুরু হবে। পড়াশুনায় ব্যাস্ত হয়ে পরবে। আজকে আসছ তো।
আমি- দেখি বাবা মা কি বলে বললেই তো যাওয়া যায়না। আমি বার বার যাই বাবা মাকে তো আসতে বলেন না ওরা একটু মনঃক্ষুণ্ণ হয় না।
মাওইমা- তাইত বাবা ঠিক বলেছ, কালকেই তোমার বাবা মাকে আসতে বলব। আর কি করব, আমার বেয়াই তো থেকেও নাই পুত্রার কাছ থেকে যা পেলাম, বেয়াইর কথা মনে পর তুমি বল।
আমি- শুধু কি পুত্রা দেয় ছেলেও তো দিচ্ছে।
মাওইমা- তা যা বলেছ বাবা তোমরা না থাকলে এ কোনদিন হত না। তুমি কেয়া ছিলে বলে সব হল। এক কাজ কর এবার তোমার মাকে লাইনে আন তবে আর সমস্যা হবেনা।
আমি- একা পেরে উঠব, তিন তিনজনকে সুখি রাখতে পারবো। তাপস থাকলে না হয় সামাল দেওয়া যেত একা পারা যায়।
মাওইমা- কি বল এই বয়েসে দিনে তিনবার তো পারবে।
আমি- তবুও ভাবতেই পারিনা, আর মাকে কি করে রাজি করাবো।
মাওইমা- আমাকে কেয়াকে কেমন করে পারলে সেভাবেই ব্যবস্থা কর।
আমি- সুযোগ আসতে হবেত, একটা সময় হতে হয় তবে তো হবে।
মাওইমা- হবে হবে আমি যেমন তাপসকে পেলাম, তেমন তোমার মা তোমাকে পাবে দেখ।
আমি- আপনার তাপসের ব্যাপার আলাদা, এদিকে বাবা আছেন তাইনা।
মাওইমা- তোমার বাবা তো অক্ষম সেটা আমি দেখেই বুঝেছি এইত সুযোগ এবার ট্রাই কর হবে।
আমি- আপনি একেলের আর মা সেকেলর।
মাওইমা- না না কে বলেছে তোমার মা সেকেলের দ্যাখ হবে। আর হ্যা সন্ধ্যে হয়ে গেছে কেয়া কি করছে কে জানে আমি রাখি সন্ধ্যা দেব।
আমি- আচ্ছা তুমি তবে রাখ।
মাওইমা- আসবে কিন্তু
আমি- আচ্ছা সোনা এসে তোমাকে আর কেয়াকে এক সাথে ভাল করে দেব।
মাওইমা- উঃ সত্যি তো আজকে আসছ তাহলে, কেয়াকে বলি রাতে এসে খাবে এখানে।
আমি- হুম আসবো, রেডি থেকো।
মাওইমা- আমি এখনই রেডি আস না।
আমি- উম সোনা বাই রাতের জন্য থাক।
মাওইমা- ওকে বাই সোনা।
আমি- ওকে বাই। বলে রেখে দিলাম।