মা ও বোনের স্বামী - অধ্যায় ২৯
আমি- মা তাতে কি হয়েছে, কেয়া কেয়ার জায়গায় আমি আর তুমি আমাদের মতন যা কথা হবে আমাদের মধ্যে থাকবে। আমরা ফাঁস করব না গোপন থাকবে।
মা- তবুও এ হয় না বলা যায় না একটু ফ্রি না হলে হয় না।
আমি- ধরে নাও কেয়ার বিয়ে হলনা তবে আমাদের কিছু হবেনা আমরা কি কিছু করতে পারবোনা।
মা- আমাকে জোর করিসনা, আমি পারবোনা আমি বলতে পারবোনা। কেয়া বড় হয়েছে এখন।
আমি- মা আমিও এখন অনেক বড় সব দিক দিয়ে তোমাদের সব দ্বায়িত্ব নিয়েছি কেন কষ্ট পাবে তুমি।
মা- কিসের কষ্ট আমার কোন কষ্ট নেই, তুই আমার কষ্ট দেখার জন্য আছিস তো।
আমি- মা আমি তো চাই তুমি সুখী থাক, আর আমিও সুখি হই।
মা- আমিও চাই কিন্তু কেয়ার বিয়ে না হলে যে হবেনা। তোর বাবার ওই অবস্থা আজ আছে কাল নেই, কি হবে কে জানে।
আমি- মা বাবা থাকবে দেখনা আগের থেকে ভাল, বাবা যখন চায় তবে অসুবিধা কোথায়। বাবা থাকতেই হয়ে যাক যা হবার। বাবার কথা তোমার রাখা উচিৎ।
মা- আমি তো রাখতে চাই কিন্তু তোর বাবা তো অক্ষম কাজ করতে পারেনা। একদম কোন কাজ সে তুই দেখিস দিন রাত সুধু ঘুমায় আর কিছুই পারেনা।
আমি- জানি মা বাবা পারেনা তার জন্য আমি দ্বায়িত্ব নিয়েছি, যা করার আমি করব, আমার তো অমত নেই।
মা- আমি জানি বাবা জানি, মেয়ে মানুষ হওয়া যে কত কষ্টের সে তোকে কি করে বোঝাবো।
আমি- আমি যখন বুঝতে চাইছি তবে সমস্যা হয়ার কথা না।
মা- তবুও আমি যে পারছিনা আমি তোর মা।
আমি- তুমি মা বলে কি সব মুখ বুজে কষ্ট সহ্য করে যাবে সুখ আহ্লাদ থাকবেনা।
মা- জানি তুই এখন বড় হয়েছিস, তোর অনেক কষ্ট হয় আমাদের সবার আবদার রাখার জন্য, তোর জন্য কিছুই করতে পারি না, তোকে সুখ দিতে ইচ্ছে করে কিন্তু এক জায়গায় সব আটকে যায়, আমি যে তোর মা।
আমি- মা তুমি ভুলে যাও না আমি তোমার ছেলে আমাকে বন্ধু ভাবনে পার।
মা- তোমাকে আমার আর তুই বলতে ইচ্ছে করেনা তুমি বলব।
আমি- মা আমিও চাই তুমি আমাকে তুমি বল। তোমার মুখ থেকে তুমি শুনলে মনে হয় আমি বড় হয়ে গেছি।
মা- হ্যাঁ সে আমি জানি যেদিন ঘর ঝারছিলাম তখন দেখেছি তুমি অনেক বড় হয়ে গেছ।
আমি- কি যে বল মা, কোথায় আর বড় হলাম, বড় হলে আমাকে এভাবে দূরে রাখতে কাছে ডাকতে।
মা- কাছে ডাকতে ইচ্ছে করে ঐযে আমি তোমার মা তাই পারিনা। কেয়ার বিয়ে হলে সব সময় তোমাকে তুমি ডাকতে পারব।
আমি- মা সে তো হবে কিন্তু যদি আরও ৪/৫ বছর লাগে কেয়ার বিয়ে হতে তবে এতদিন তোমাকে আমি তুমি বললে তুমি আমাকে তুই বলবে।
মা- না আর তুই বলতে ভাল লাগেনা তুমি ডাকব তাতে যা হয় হবে।
আমি- এইত আমার সোনা মা লক্ষ্মী মা বলে কয়েকটা কিসের ছবি পাঠালাম।
মা- এই কি পাঠিয়েছ তুমি, এগুলো কি করে পাঠায়।
আমি- তোমার ঠোঁটে কিস দিলাম।
মা- উহ না ভাল লাগেনা, আমি তোমার মা না।
আমি- আমার মাকে আমি কিস দেব তাতে কি হয়েছে।
মা- মায়ের ঠোঁটে না গালে দিতে হয়, তুমি বোঝো না।
আমি- না আর গালে দেব না ঠোঁটে দেব। তোমার ঠোঁট দুটো আমার খুব পছন্দ।
মা- তুমি না মুখে কিছু আটকায় না মেসেজে যা খুশি তাই লিখে দিচ্ছ, কাছে থাকলে এভাবে বলতে পারতে।
আমি- না সোনা দূরে আছ বলে তো পারছি।
মা- এই সোনা মনে হয় তোমার বোন এখনো জেগে আছে একটু দেখে আসি আমি তুমি বন্ধ করোনা যেন।
আমি- না সোনা আছি আমি তুমি দেখে আস।