মায়ের কাছে হাতেখড়ি - অধ্যায় ২
দুই
আমি বলি -জ্যেঠু কি আগে তোমাকে কোনদিন আদর করেছে মা? মা বলে -না রে আগে কোনদিন সেভাবে আদর করেনি, তবে কয়েকবার তোর বাবাকে লুকিয়ে হামি খেয়েছে,আজই প্রথম আদর করবে।আমি বলি -ও আচ্ছা। মা বলে -আসলে তোর জ্যেঠুর আর আমার দুজনেরই অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল একটু আদর দেওয়াদেয়ি করার, কিন্তু নানা কারনে হয়ে ওঠেনি। আমি বলি- কেন? আগে কেন হয়নি,আর হটাত আজ তোমরা আদর করবে কেন মা? মা বলে-আসলে তোর বাবা আজ বাড়ি নেই তো তাই। তোর জেঠু আমাকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাবার সময় বললো আজ তো তোমার বর বাড়ি নেই, আজ রাতে তোমাকে একটু আদর করতে দেবে মৃনালিনী? তোমার বর হসপিটাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে এলে তো আর হবেনা। আমি বললাম -আচ্ছা, আপনি তাহলে খাওয়া দাওয়া করে আমার ঘরে চলে আসবেন, আমি আজ পাপান কে নিচে শুতে বলবো। ও নিচে শুলে আপনি আর আমি একসঙ্গে খাটে শুতে পারবো আর রাতে ঘুমনোর আগে একটু গল্প টল্প করে তারপর আপনি আর আমি ভালবাসা করবো। ওই জন্যই তো তোকে এত করে সাধছি, যা না বাবা একটু নিচে, তুই মায়ের দুঃখ কিচ্ছু বুঝিসনা। আমি বলি -কেন বাবা বাড়ি থাকলে কি হত? মা বলে -ধুর বোকা ছেলে, আমি তোর বাবার বউ হইনা, আমি আর তোর দিলিপজ্যেঠু আদর খাওয়াখায়ি করলে তোর বাবা খুব দুঃখ পাবে তো । আমি বলি -বাবা যদি দুঃখ পায় তাহলে দিলিপজ্যেঠু তোমাকে আদর করবে কেন? মা বলে -ওরকম বোললে কি হয় বল, তোর জ্যেঠুর আমাকে খুব কাছে পাওয়ার ইচ্ছে, আর তাছাড়া আমারো তো একটু ইচ্ছে করে তোর বাবা ছাড়া অন্য কারু আদর খেতে, তাই জন্য। আমি বলি -কিন্তু বাবা যদি জানতে পারে মা। মা বলে -আমি তোর বাবাকে বলবো না যে আজ রাতে আমি তোর দিলিপজ্যেঠু একসঙ্গে শুয়েছি। তোর বাবা জানতে পারলে তবে তো দুঃখ পাবে, না জানতে পারলে তো কোন অসুবিধে নেই। তুইও কিন্তু বলবিনা কেমন?
আমি বলি-ঠিক আছে মা, বলবো না। কিন্তু তুমি কি বাবাকে এখন আর ভালবাসনা মা? মা একটু থতমত খেয়ে যায় আমার প্রশ্ন শুনে, তাড়াতাড়ি বলে -হ্যাঁ তোর বাবাকেও আমি খুব ভালবাসি,কিন্তু তোর দিলিপজ্যেঠু আমাদের জন্য কত করে বল? তোর পড়াশুনোর খরচ দেয়, তোর বাবা যে কাল হসপিটালে ভর্তি হল, তোর দিলিপজ্যেঠুই তো দৌড়দৌড়ি সব করলো, এছাড়া তোর আর তোর বোনের জন্য কত কিছু কিনে কিনে নিয়ে আসে, জামাকাপড়, খাবার দাবার চকলেট, সেটা বল? আমি বলি-হ্যাঁ সেটা ঠিক। মা বলে -দেখ আমরা তো গরিব, আমরা তো তোর দিলিপজ্যেঠুকে সেরকম কিছু কিনে দিতে পারিনা, তাই ভাবছি তোর বাবা যখন বাড়ি নেই, তখন কদিন তোর দিলিপজ্যেঠুকে নিয়ে রাতে শোব। আমি বলি -তোমার সাথে শুলেই কি দিলিপজ্যেঠু খুশি হবে? মা বলে -হ্যাঁরে তোর দিলিপজ্যেঠু খুব অল্পতেই খুশি, ঘুমনোর আগে একটু তোর জ্যেঠুকে আদর করবো, বুকে জরিয়ে ধরে একটু ভালবাসা দেব, তাতেই তোর দিলিপজ্যেঠুর খুশি।
আমি বলি -কি দরকার মা শুধু শুধু বাবাকে লুকিয়ে দিলিপজ্যেঠুর সাথে ভালবাসাবাসি করার। বাবা যদি কোনভাবে জানতে পেরে যায়, দুঃখ পাবেনা বাবা বল? মা বলে -তোর বাবা জানতে পারবে কি করে রে বোকা, আমরা তো কিচ্ছু বোলবো না তোর বাবাকে, দেখ তোর দিলিপজ্যেঠু আর আমি যে দু জন দুজনকে খুব পছন্দ করি সেটা তোর বাবা তো এত দিনেও বুঝতে পারেনি। ও তোর বাবা কিছু বুঝতে পারবেনা, তুই চিন্তা করিসনা। তবে তুই যা জানলি, এসব কিন্তু কখনো বাবা কে বলবিনা কেমন? তাহলে তোর বাবা খুব দুঃখ পাবে আর কাঁদবে ।আমি বলি -না আমি বলবো না, তবে আমার মনে হয় বাবাকে লুকিয়ে জ্যেঠুর সাথে এসব আদর মাদর না করাই ভাল। মা বলে-ও সব আমরা সামলে নেব, তুই ও নিয়ে চিন্তা করিসনা। তিন চার দিনের তো ব্যাপার। তোর বাবা হসপিটাল থেকে বাড়ি চলে এলে আবার তুই রাতে আমার পাশে যেমন শুতিস তেমন শুবি কেমন। আমি বলি -মা দিলিপজ্যেঠু কখন আসবে। মা বলে- ও সেই রাত সাড়ে বারটা- একটা নাগাদ আসবে মনে হয়।জানিস তো তোর দিলিপজ্যেঠু রাতে কত দেরি করে খায় ? আমি বলি -মা দিলিপজ্যেঠু যখন আসবে আমি তো তখন ঘুমিয়ে পরবো তাহলে খাটের একধারে শুলে কি অসুবিধে? নিচে শুতে হবে কেন মা?
মা এইবার একটু বিরক্ত হয়,বলে -উফ এত প্রশ্নের জবাব আমি দিতে পারবো না, তুমি নিচে যাবি কিনা আগে বল? আমি বলি -যাব, কিন্তু আমাকে নিচে যেতে হবে কেন আগে বল? মা বলে -আরে বাবা, তুই বুঝিস না, এসব ছোটদের জানতে নেই। আমি জোর করি, বলি -প্লিজ বলনা মা, এই বলে মাকে জরিয়ে ধরি। মা আর কি করবে আমার কানে কানে বলে -বড়রা কি করে ভালবাসাবাসি করে তুই কি জানিস? আমি বলি -না মা জানিনা, কি করে করে মা? মা বলে-ওই সব কম বয়েসে জানলে ছোটবেলাতেই এঁচড়ে পাকা হয়ে যাবি, পড়াশুনো সব মাথায় উঠবে। আমি বলি -কিছু হবেনা, বলনা কেন আমাকে নিচে শুতে হবে? মা বিরক্ত হয়ে আর কথা না বাড়িয়ে বলে -বড়রা যখন আদর করে তখন কাপড় জামা খুলে করে। আমি বলি -তাই, পুরো ল্যাংটা হয়ে। মা বলে -হ্যাঁ। আমি বলি-তোমাকে ভালবাসার আগে জ্যেঠু তাহলে ল্যাংটা হবে। মা ফিক করে একটু হাঁসে আমার কথা শুনে, তারপর আমার কানে কানে বলে -শুধু তোর জ্যেঠু নয় আমিও ল্যাংটা হবরে বোকা। ওই জন্যই তো তোকে বলছি নিচে শুতে। আমি বলি -কিন্তু আমি তো তখন ঘুমিয়ে পরবো। মা বলে -উফ তুই বুঝিসনা, তোর জ্যেঠু আদর করার সময় আমার সাথে জড়াজড়ি করবে, চটকাচটকি করবে,বুকের ওপর তুলে দলাইমলাই করবে, ওই সময় খাটটাট একটু নড়তে পারে, রাতে হটাত তোর ঘুম ভেঙ্গে গেলে তখন কি করবি? দেখবি আমাকে আর তোর দিলিপজ্যেঠুকে ন্যাংটা? তোর ভাললাগবে আমাদের কে ল্যাংটা হয়ে জড়াজড়ি আর চুমু খাওয়া খায়ি করতে দেখতে।আমি বলি -ইশ ছিঃ না। মা বলে -তবে? আমি বলি -মা আদর করতে গেলে জড়াজড়ি করতে হয় বুঝি। মা বলে -হ্যাঁ রে, তোর জ্যেঠু নিজের আর আমার কাপড় জামা খুলে আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে আদর করবে,হামি খাবে,আমার সাথে জড়াজড়ি করবে, আমাকে চটকাবে, ধামসাবে, আমার মাই খাবে। এই বলেই মা চুপ করে যায়, বুঝতে পারে মুখ ফস্কে বলে ফেলেছে। আমি বলি -এবাবা জ্যেঠু তোমার মাই খাবে। কিন্তু ওত বোন খায়। বড়রা কি ওসব খায় নাকি। মা একটু অপ্রস্তুতে পরে গিয়ে বলে -তুই জানিস না বড়রাও মাই খেতে খুব ভালবাসে। আমি বলি -আচ্ছা মা, বাবাও কি তোমার মাই খায়। মা এবার খুব বিরক্ত হয় বলে -উফ বাবা তুই যা বকাস না আমাকে, সব এখন খুলে বলতে হবে তোকে? হ্যাঁ তোর বাবাও মাঝে মাঝে খায়। এখন বল আমাদের মধ্যে যখন এই সব হবে, তখন হটাত তোর ঘুম ভেঙ্গে গেলে তুই দেখবি এসব? বল? তোর লজ্জা করবে না? আমি বলি -হ্যাঁ মা খুব লজ্জা করবে, আচ্ছা মা তুমিও জ্যেঠুকে হামি খাবে। মা একটু বিরক্ত হয়ে যেন আমাকে নিরস্ত করতে বলে -হ্যাঁ আমিও খাব। তোকে বললাম না তোর বাবাকে লুকিয়ে আগেও কয়েকবার তোর জ্যেঠুকে হামি খেয়েছি আমি। আমি বলি -কেন মা খুব ভাল্লাগে বুঝি তোমার জ্যেঠুকে হামি খেতে। মা বলে -হ্যাঁ বড়দের হামিতে একটা আলাদা মজা হয়।
(চলবে)