মা এবং বোন - অধ্যায় ১৫
আমি- কি আবার অনেক কিছু কোন সম্পর্ক বাদ নেই সব হয়।
মা- এয়া কি বলছ তুমি সত্যি এসব আছে মোবাইলে। কোন সম্পর্ক বাদ যায়না মানে কি কি হয়।
আমি- কি আবার গল্প আছে, ভাইবোন, দেওর বৌদি, শ্বশুর বউমা, শাশুড়ি জামাই সব চাইতে বেশী মা আর ছেলে।
মা- ছিঃ ছিঃ কি বলে এসব, সমাজ এত খারাপ হয়ে গেছে নাকি।
আমি- হ্যা কোরা বলে একটা সাইট আছে সেখানে সব নিজেরা গল্প বলে কে কি করেছে, বেশী তো শেষের সম্পর্ক।
মা- শেষের সম্পর্ক মানে।
আমি- শেষের সম্পর্ক মানে মা আর ছেলে।
মা- উঃ না ওসব মুখে আনবে না আর। তোমাদের আর মোবাইল ব্যবহার করতে হবেনা, গোল্লায় গেছ তোমরা দুই ভাইবোনে। ব্যাথা কমেছে তোমার।
আমি- না জল লাগার পরে পুড়ে যাচ্ছিল তবে এখন একটু কম।
মা- আজকে আর যাওয়ার উপায় নেই কি করছে দুজনে ঘরে বসে কে যানে কথা ও বলা যাচ্ছেনা রাত ১০ শ টা বেজে গেছে। এভাবেই রাত কাটাতে হবে।
আমি- তুমি শুয়ে পর আমি জল বের করে আসছি বলে গামছা নিয়ে বের হতে যাবো।
মা- আবার তো জল লাগবে আর জ্বালা করবে।
আমি- কি করব তবুও জল না বের করলে তো ডুবে মরে যাবো। যাই আমি তুমি ঘুমালে ঘুমাও।
মা- না তুমি জল বের করে আসো আমি আছি বসে।
আমি- আচ্ছা বলে বাইরে গিয়ে সত্যি দেখি বোটে অনেক জল খুব বৃষ্টি হচ্ছে তাই খিঁচে জল বের করে ফেললাম। আবার পুড় ভিজে গেলাম। জল সব বের করে আবার ছই এর ভেতরে আসলাম। মাথা মুছে ভেজা প্যান্টেই বসে পড়লাম।
মা- এদিকে আয় আমি ভালো করে মুছিয়ে দিচ্ছি পিঠে জল ভর্তি। সারারাত ভেজা থাকলে শরীর খারাপ করবে তো। আয় এদিকে।
আমি- মায়ের কাছে গেলাম।
মা- গামছা দিয়ে আমাকে মুছিয়ে দিল ভালো করে, আর বলল লুঙ্গিও ভিজে গেছে।
আমি- হ্যা, তোমার শাড়িও তো ভেজা আছে। তবে হাওয়া একটু কমেছে। একটা কাথা আছে তুমি পেতে শুয়ে পরো। ভালই চার্জ হয়েছে আলো থাকবে রাতভর। লুঙ্গি এদিকে টাঙ্গিয়ে দেই হাওয়া আসবে আর।
মা- আশে পাশে আর কোন বোট দেখলি আলো জ্বলছে।
আমি- না আমরা ভেতরে না এদিকে কেউ আসেনি আমরা শুধু আছি। মাছের ঢাকনা খুলে দিয়েছি না হলে মরে ফুলে উঠবে। জল পড়লে কিছু হবেনা।
মা- আমি এই ভেজা কাপড়ে কিকরে থাকবো, এমনিতেই ঠান্ডা লাগছে আমার।
আমি- এই নাও গামছা ভালো করে নিংড়ে দিয়েছি শাড়ি খুলে গামছা জরিয়ে থাকো আমি শাড়ি ধুয়ে নিংড়ে দেই যদি একটু শুকায়। নাইটি আনার কথা বলেছিলে আনোনি।
মা- না সে নানা হয় নাই। তবে দাও গামছা দেখি কি করা যায়।
আমি- এই নাও বলে মাকে গামছা দিয়ে মা বসে বসে শাড়ি সব খুলে দিল এবার শুধু মা ব্লাউজ আর ছায়া পরা। ভেজা তাই সব বোঝা যাচ্ছে।
মা- আমার দিকে পেছন ফিরে রয়েছে। খোলা পিঠ শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট পরা। পেটে ভালই চর্বি আছে আগে দেখেছি কিন্তু আজকে ভেজা অবস্থায় দেখলাম। মা শাড়ি আমার দিকে ছুরে দিয়ে বলল দে নিংড়ে টাঙ্গিয়ে দে।
আমি- মায়ের শাড়ি ভালো করে নিংড়ে নিয়ে জালের পাশ দিয়ে টাঙ্গিয়ে দিলাম।
মা-এবার এদিকে ফিরে গামছা দিয়ে ব্লাউজের ভেতরে ঢুকিয়ে মুছে নিতে লাগল।
আমি- অন্যদিকে তাকিয়ে রইলাম।
মা- আমার হাতে গামছা দিয়ে বলল নে এটাও ভালো করে নিংড়ে দে আমাকে।
আমি- গামছা নিয়ে নিংড়ে দিলাম তারপর মাকে দিলাম।
মা- না শুকাতে দে যদি একটু শুকায় আমার আর লাগবেনা। এমনি কাত হয়ে থাকি যদি শীত করে তো কাথা গায় দেওয়া যাবে।
আমি- গামছা মেলে দিয়ে বসলাম মা অনেকটা দূরে আমার থেকে, আমি এদিকে বসা আর মা পেছনের দিকে বসা।
মা- বলল উপরে আয় নিচে আর থাকতে হবেনা ঘন্টা দুই তো জল না ফেলে থাকা যাবে বৃষ্টি কমেছে একটুও।
আমি- না না ভালই বৃষ্টি হচ্ছে এখনও।
মা- আয় উপরে আয় পায়ের আর জল লাগাস না। উঠে আয়।
আমি- পা মুছে নিয়ে উপরে উঠে বসলাম। পা গুটিয়ে আর কাঁটা জায়গায় হাত বোলাতে লাগলাম। সত্যি লাইন দিয়ে ফুলে আছে কম জোরে বারি মেরেছে মা। হাতেও দাগ পায়েও দাগ। দোরা দোরা হয়ে ফুলে রয়েছে।
মা- আমার পায়ে এবং হাতে হাত বুলিয়ে দিয়ে এই সত্যি ভেতরে দিসনি মাম্পীর। তবে ওষুধ খাওয়াতে হবে, আগে থেকে সত্যি করে বল।না হলে ডাক্তার হাসপাতাল করতে হবে কাউকে মুখ দেখাতে পারবোনা জানাজানি হয়ে গেলে বিপদের শেষ থাকবেনা। ডাক্তার হাসপাতাল করতে হবে, তবে লোকে জেনে যাবে।
আমি- দেখ উত্তেজনার সময় টেনে বের করে নিয়েছি তবুও সঠিক বলতে পারবোনা ভেতরে গেছে কিনা। মনে তো হয় না।
মা- ইস ব্লাউজ ছায়া এত ভেজা যে ভালো লাগছে না এভাবে থাকা যায়। সারারাত এভাবে থাকতে হবে, সব তোদের পাপের ফল। দুজনে এমন পাপ করেছিস তার মাশুল আমাকে দিতে হচ্ছে। এভাবে থাকলে জ্বর নিঘাত আসবেই।
আমি- মা বলছিলাম কি না কাঁথা পেচিয়ে নিয়ে সব খুলে ফেল, আর কেউ তো নেই।
মা- কথা মন্দ বলনি কিন্তু এখন কি আর বিশ্বাস করা যায়, যা করেছ তোমরা দুই ভাইবোনে। যে দাদা নিজের বোনের সর্বনাশ করেছে তাকে বিশ্বাস করা যায়। আমার এখন ভয় করছে তাও নিজের ছেলেকে।